
জি,এম,জিয়াউল হাসান (জিল্লুর)ষ্টাফ রিপোর্টার খুলনা:
কথা দিয়ে কথা রেখেছেন প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী চেয়ারম্যান মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ। তিনি
গতবছর এমন সময়ে সমাজের কিছু মানুষ টাকার সাথে তুলনা করে অনেকে অনেক মন্তব্য করেছিলেন তাকে।আজ সে সকল মানুষের চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে দিলেন প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী জনতার চেয়ারম্যান। সেই সমস্ত লোকের বলতে চান টাকার কাছে সকল প্রতিনিধিরা নিজের চরিত্রে কালিমা লেপন করেন না। কারন সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুল শিকারী কখনো মানুষের কাছে মাথা নত করেননি তিনি সততার প্রতীক ছিলেন। তিনি ছিলেন মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ভালোবাসার আশ্রয়ের স্হল। তিনি সব সময় জনগণের কাজ কে গুরুত্ব দিতেন এটাই ছিল তার চরিত্র। তার ই দেখানো পথ ধরে, আজকে চলছে তার সুযোগ্য সন্তান বর্তমান মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী। নব দিগন্তের প্রতিনিধির সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি বলেন বিগত দিনের চেয়ারম্যান কে কি করলো সেটা দেখার বিষয় নয়, তবে আমি আমার পিতার আদর্শ এবং দেখানো পথ ধরে মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন বাসীর পাশে থাকতে চাই। আমি কখনো আমার জানামতে কাউকে যেকোনো কাজের বিষয়ে বিলম্ব করি নাই, আমার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি মানুষের পাশে থেকে যতটুকু সম্ভব সেবা করতে পারি। এটাই চেতনা এটাই বাস্তবতা এটাই স্বাভাবিক। মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনি রায় বলেন চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী কথা দিয়ে কথা রাখছেন তিনি বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়
আমাদের পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য শিব মন্দির টি দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ লবণ পানির ঘের করে ডুবিয়ে রেখেছিলো এলাকাবাসী।আমাদের শিব মন্দিরটি বিলিন করে দিতে চেয়েছিলেন কিছু ভুল পথের মানুষ। কিন্তু আজ আমাদের জনতার চেয়ারম্যান জনাব প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী শিববাড়ির জমি লবনাক্ত পানি মুক্ত করে পুনরায় পূজা করার সুযোগ করে দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কে ঋণী করে দিলেন।
আপনার এই মহতী উদ্যোগ এবং আমাদের সকলের ঐক্য সহযোগিতা ঈশ্বরের অশেষ কৃপা ও দরিদ্র জনতার আশির্বাদ স্বরুপ আপনিই হৃদয়ে থাকবেন চিরকাল।
পরিশেষে চেয়ারম্যান সাহেব বলেন এটা আমার নৈতিক দায়িত্ব কারন এই মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে যে পুরুস্কৃত করেছেন তার জন্য আমি কতো টুকু সেবা করতে পেরেছি জানিনা তবে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছি এতটুকু বলতে পারি।