1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
ডিমলায় তিস্তার করালগ্রাসে নিঃস্ব হাজারো পরিবার। - নব দিগন্ত ২৪
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস” উপলক্ষে স্বাধীনতা ও বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন পুলিশ সুপার মহোদয়ের ট্রাফিক অফিস, যশোরের বার্ষিক পরিদর্শন যশোর সুপারের কার্যালয়ে এএসআই (নিরস্ত্র) হতে এসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হওয়ায় র‌্যাংক ব্যাজ পরিধান ডিমলায় নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যর ঈদ পূর্ণমিলনী সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী নিহত রাজৈরে ফল ব্যবসায়ী জাকির শেখকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, জেরে বসতবাড়িতে আগুন। হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে ঈদে বিনোদন প্রেমীদের ভীড় যশোর নাভারনে ১৭ বছর পর ফের সচল হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট খুলনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় পদোন্নতিপ্রাপ্ত সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে সম্মাননা প্রদান হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে ঈদে বিনোদন প্রেমীদের ভীড়

ডিমলায় তিস্তার করালগ্রাসে নিঃস্ব হাজারো পরিবার।

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃমামুন (ডিমলা)নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খালিশা চাপানি ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে প্রতিনিয়ত নিঃস্ব হচ্ছে অসংখ্য পরিবার। নদীর ভয়াবহ স্রোত একের পর এক গ্রাস করে নিচ্ছে বসতবাড়ি, গবাদিপশু খামার, কৃষিজমি, সবুজ বাগান আর জীবনের শেষ সঞ্চয়। অথচ এখনো পর্যন্ত নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা।
স্থানীয় কৃষক আব্দুর রহিম রানা বলেন,”আমার এনজিও থেকে লোন নিয়ে গরুর খামার করেছিলাম। খামারটা এখন নদীর পেটে চলে গেছে। আমার ভিটেটাও আর নেই। কী করবো এখন?”তার স্ত্রী শারমিন আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান,
“তিনবার ঘর বানিয়েছি, তিস্তা তিনবারই কেড়ে নিয়েছে। এবার যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমার মতো হাজারো মানুষ পথে নামবে। আমরা আর পারছি না, বাঁচতে চাই।”
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও ভাঙনরোধে স্থায়ী পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।”আমরা ত্রাণ চাই না। আমরা চাই নবীর শাসনের মতো ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থা। চাই টেকসই বাঁধ, নদীশাসন। যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আর নদীর তাণ্ডবে সব হারাতে না হয়।”
এলাকার প্রবীণ কৃষক মজিবর রহমান বলেন,কোনো এক সময় আমরা ছিলাম কোটিপতি। জমি ছিল, গরু ছিল, বাড়ি ছিল। আজ আমরা রাস্তায়, শুধু তিস্তার ভাঙনের কারণে। সরকার যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এই ক্ষতি আর কখনো পূরণ হবে না।এলাকাবাসীর দাবি—
ডালিয়া ব্যারাজ ও তিস্তা নদীর পাড়ে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।তিস্তা নদী শাসনের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন ও ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করতে হবেভাঙন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ দরকার
বিগত কয়েক বছরের ভাঙনের চিত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই এ এলাকাটি নদীগর্ভে বিলীন হতে থাকে। অথচ রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি থেকে শুরু করে কর্মকর্তাদের আশ্বাস, সবই থেকে যাচ্ছে কাগজে-কলমে।স্থানীয়রা বলেন,আমাদেরকে ত্রাণ দিয়ে শান্ত করতে চাইলে চলবে না, আমাদের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর জন্য এখনই কাজ করতে হবে। তিস্তার ভাঙনে যদি কোনো শিশুর ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়, তার দায় কেম নেবে?তিস্তার ভাঙনে যখন শত শত পরিবার পথে বসছে, তখন আর সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই। স্থানীয় জনগণ এখন আর সাহায্য নয়, টেকসই সমাধান চায়। মানবিকতা, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এখনই পদক্ষেপ জরুরি।

এবিষয় ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন,জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করতে বলেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট