হাসিনুজ্জামান মিন্টু
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
সোনার মূর্তি ও দুর্লভ পুরোনো কয়েন বিক্রির লোভ দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ছয়টি সোনালি রঙের মূর্তি, পাঁচটি পুরোনো কয়েন এবং একটি পিতলসদৃশ কলস।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ খোদাদাদ হোসেন এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের কোচল (কাঁঠালডাঙ্গী) গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৬) এবং তাঁর ফুফাতো বোন মোছা. সীমা বেগম (৩২)।
পুলিশ জানায়, দিনাজপুরের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল আজিম অভিযোগ করেন, একটি প্রতারক চক্র তাঁকে সোনার মূর্তি ও মূল্যবান পুরোনো কয়েন দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে আরও অর্থ পরিশোধের শর্তে ওই সামগ্রী বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল বৃহস্পতিবার রাতে কোচল গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর ও সীমাকে আটক করে। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড়ির বারান্দার পাশের মাটির নিচ থেকে ছয়টি গোপাল ঠাকুরের সোনালি রঙের মূর্তি, পাঁচটি সাদা রঙের কয়েন এবং প্রায় দেড় কেজি ওজনের একটি পিতলসদৃশ পুরোনো কলস উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রতারণার মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সোনার মূর্তি, প্রাচীন কয়েন বা গুপ্তধনের প্রলোভনে অর্থ লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।