সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এক বিধবা নারীর ঘরে স্থানীয়দের হাতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া এক ব্যবসায়ী কে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ।তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের অপতৎপরে লিপ্ত আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সলঙ্গা বাজারের এভার গ্রীণ দই-মিষ্টি ঘরের মালিক কামরুল ইসলাম (কাঞ্চন) আগে হাটিকুমরুল হানিফ হাইওয়ে হোটেলের মালিক ছিলেন।তিনি সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান ওরফে লতিফের দোতলা বাসায় ভাড়া থাকতেন।এ সময় বাসার মালিক লতিফের স্ত্রীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গুঞ্জন চলছিল।
কিছুদিন আগে লুৎফর রহমান (লতিফ) হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে ওই নারী অধিকাংশ সময় বাবার বাড়ি বড়গোজা গ্রামে বসবাস করতে শুরু করেন।তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এরপরও গোপনে সেখানে যাতায়াত করতেন কাঞ্চন।
গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বড়গোজা গ্রামে বাবার বাড়ির একটি ঘরে ওই নারী ও কাঞ্চনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন।পরে ক্ষুব্ধ জনতা কাঞ্চনকে গণধোলাই দিয়ে আটকে রাখে এবং ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি,পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকায় কাঞ্চন পরে মুক্তি পান।পরবর্তীতে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে কয়েকজন স্থানীয়দের বিরুদ্ধে লতিফের স্ত্রীর গহনা চুরির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় বইছে এবং অভিনব কায়দার মিথ্যা মামলাটি সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।