মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বাদী আবুল কালাম আজাদ (৩৯) আকবরশাহ থানাধীন শাহী বাস কাউন্টারে চাকুরী করেন। সে আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনী, ডি-ব্লক, প্লট নং- ৮৫, মাহবুব সাহেবের বিল্ডিং নীচ তলা এলাকায়
বাসায় স্ব-পরিবারে বসবাস করেন। গত ২৭/১১/২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকার সময় সে নিজ কর্মস্থলে চলে যান। একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৩:৩০ ঘটিকার সময় তার স্ত্রী শাহনাজ আক্তার মুন্নী (২৬) বড় মেয়েকে কোচিং-এ পৌঁছানোর জন্য ঘরে তালা দিয়ে বের হয়ে যায়। মেয়েকে কোচিং-এ দিয়ে একই তারিখ বিকাল ০৪:০০ ঘটিকার সময় বাসা এসে দেখতে পান যে, তাদের বাসার দরজার ছিটকিনি কাটা ও তাদের বাসায় থাকা আলমারী ভাঙ্গা এবং আলমারীতে থাকা নগদ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা, একটি মোবাইল, ০১টি স্বর্ণের নেকলেস, যাহার ওজন-১(এক) ভরি ১০(দশ) আনা, ০১টি স্বর্নের চেইন ১০(দশ) আনা, ০৩টি স্বর্নের কানের দুল, ওজন-১২(বার) আনা, ০১টি স্বর্নের ব্রেসলাইট, ০৭(সাত) আনা, ০৫ টি আংটি, ওজন ০৭(সাত) আনা সর্বমোট ০৩(তিন) ভরি, ১৪ (চৌদ্দ) আনা, মূল্য অনুমান-৭০০০০০/- (সাত লক্ষ) টাকা, ০১ জোড়া রূপার নুপুর, ওজন-০৩(তিন) ভরি, মূল্য অনুমান
-৫০০০/- টাকা অজ্ঞাতনামা চোরেরা চুরি করে নিয়ে গেছে। বাদীর এইরূপ অভিযোগের ভিত্তিতে আকবরশাহ থানার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৫/১২/
২০২৫ খ্রিঃ,ধারা-৪৫৪/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
মামলা রুজুর পর তাৎক্ষণিক আকবরশাহ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই সাজ্জাদ, এসআই ইলিয়াছ মাদবর, এসআই রিমন ঘোষ, এএসআই জসিম ও ফোর্স সহ আকবরশাহ থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল ঘটনাস্থলের আশে পাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আকবরশাহ থানার বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ইং ০৬/১২/২০২৫ তারিখ রাত ০২.৩০ ঘটিকার সময় আকবরশাহ থানাধীন হারবাতলী জয়ন্তিকা আবাসিক এলাকার হারবাতলী (মঞ্জুর বাড়ি) হতে ঘটনার সহিত জড়িত আসামী ০১। মোঃ জুয়েল (৩২), ০২। মোঃ হৃদয় (২১), ০৩। মোঃ শরীফ(২৮)
দেরকে গ্রেফতার করেন। বর্নিত আসামীদেরকে চোরাইকৃত স্বর্ণ ও মোবাইলের বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী জুয়েল এর নিকট হতে চোরাইকৃত ০১টি ০১(এক) ভরি ১০(দশ) আনা ওজনের স্বর্ণের নেকলেস, ০৯(নয়) আনা ওজনের ০১টি স্বর্নের চেইন, ০২(দুই) আনা ওজনের কানের দুল, ০৪(চার) আনা ওজনের স্বর্ণের তৈরি ০৪(চার)টি স্বর্ণের আংটিসহ মোট ০২(দুই) ভরি ০৯(নয়) আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ০২ নং আসামী মোঃ হৃদয় এর নিকট হতে চোরাইকৃত মোবাইল এবং ০১ জোড়া রুপার নুপুর উদ্ধার করা হয়। ০৩ নং আসামী মোঃ শরীফ চুরির ঘটনার সময় ২ জন আসামীকে সহায়তা করেছে বলে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।