
মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গত ২৩/০৮/২০২৫ইং তারিখ বেলা ১৫.০০ ঘটিকার সময় ২নং আসামী মোঃ শফি উল্লাহ প্রঃ জীবন (৫৪) এর পরিকল্পনা মোতাবেক ১নং আসামী মোঃ নিশান ডবলমুরিং থানার বেপারীপাড়াস্থ জনৈক আসলাম মিয়ার ভাড়াঘর হতে শরীফা বেগম (২৩) এর ১৮ মাস বয়সী শিশু ভিকটিমকে কৌশলে অপহরণ করে অজ্ঞানস্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের মাতা শরীফা বেগম ডবলমুরিং থানায় হাজির হয়ে তার ১৮ মাস বয়সী শিশু ভিকটিম অপহরণের বিষয়ে এজাহার দায়ের করলে ডবলমুরিং মডেল থানার মামলা নং- ২৩, তারিখ- ২৪/০৮/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২০) এর ৭/৩০ রুজু হয়।
ডবলমুরিং থানা অফিসার ইনচার্জ বাবুল আজাদ এর নেতৃত্বে এসআই/ সঞ্জয় শর্মা, এসআই/মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, এএসআই/আব্দুল হাই বাবলু এবং এএসআই/মনজুর আলম মজুমদারদের সমন্বয়ে ডবলমুরিং থানার একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ইং ২৪/০৮/২০২৫ খ্রি. খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানা এবং চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে শিশু ভিকটিম আয়াতকে সুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং অপহরণের ঘটনায় জড়িত ১। মোঃ শফি উল্লাহ প্রঃ জীবন (৫৪), ২। ২। মোঃ বেলাল উদ্দিন সোহেল (২৯) ও ৩। ফারজানা আক্তার রিয়া (১৬)দের
গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ কালে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত শফি উল্লাহ জীবন বাদীনির স্বামীর ভগ্নিপতি, ফারজানা আক্তার রিয়া তার ভাগ্নি, মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল তার ভগ্নিপতির ১ম ঘরের সন্তান এবং পলাতক আসামী নিশান ভাগিনা। কিছুদিন পূর্বে শফি উল্লাহ জীবনের ২য় স্ত্রী তথা বাদীনির ননদ আয়েশা বেগম এর ডির্ভোস হয়। শফি উল্লাহ জীবনের ধারনা উক্ত ডির্ভোসের সাথে বাদীনির পরিবার জড়িত ছিল। তাই উক্ত ডিভোর্সের প্রতিশোধ নিতেই ২নং আসামী শফি উল্লাহ জীবনের পরিকল্পনা মোতাবেক তার ছেলে ১নং পলাতক আসামী নিশান গত ২৩/০৮/২০২৫ইং তারিখ বেলা ১৫.০০ ঘটিকার সময় বেপাড়ীপাড়াস্থ তার মামার বাসা তথা বাদীনির বাসায় বেড়াতে আসে। একপর্যায়ে ১নং আসামী নিশান (২০) কৌশলে শিশু ভিকটিম আয়াতকে অপহরণ করে নিয়ে তার ছোট বোন ফারজানা রিয়ার সহযোগিতায় শিশুকে তাদের সৎ ভাই সোহেলের বাসায় লুকিয়ে রেখেছিল।