মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
(প্রেস রিলিজ)
বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) ইসমিট চাকমা সঙ্গীয় এসআই মোস্তফা কামাল, এসআই(নিঃ) কাউছার হামিদ, এসআই(নিঃ) নাইমুর রহমান, এএসআই জসিম উদ্দিন, এএসআই শাহ আলম এবং স্পেশাল-৩৪ (নৈশ) এসআই/সোহেল কামাল সঙ্গীয় কং/৭৮২২ কাউছার, কং/৭৮২৮ সাখাওয়াত হোসেন, কং/৭৮৩২ অহিদ হাসান, হাইওয়ে মোবাইল-এএসআই সোহেল কামাল সঙ্গীয় কং/৭৬১৪ জুনায়েদ হোসেন, কং/৭৩১৫ মনির হোসেন সোহেল'দের সহায়তায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার সাধারন ডায়েরী নং-১৭৮, তারিখ- ০৩/১০/২০১৫ ইং মূলে অত্র থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন ইং ০৪/১০/২০২৫ তারিখ রাত ০২.০৫ ঘটিকার সময় অক্সিজেন মোড় এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, অত্র থানা এলাকার একজন চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বায়েজিদ বোস্তামী থানার মামলা নং-৪৬(০৯)২৫ এর তদন্তপ্রাপ্ত আসামী মোঃ জাহিদুল হাসান মুরাদ ওরফে নুর ইসলাম (৩২) চট্টগ্রাম জেলাধীন হাটহাজারী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান বর্ণিত অভিযানিক টিমসহ হাটহাজারী থানা পুলিশের সহায়তায় উক্ত আসামীকে হাটহাজারী থানাধীন মজুরী পাড়া ফরিদ মেম্বারের ভাড়াবাসা হতে আটক করেন। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদকালে সে একেক সময় একেক রকম কথাবার্তা বলতে থাকে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে তার হেফাজতে অস্ত্র ও গুলি রয়েছে এবং উক্ত অস্ত্র ও গুলি বায়েজিদ বোস্তামী খানাধীন মাইজপাড়া জারুয়ার দিঘীর পাড় এলাকায় লুকিয়ে রেখেছে বলে জানায়। আসামীর স্বীকারোক্তি মতে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ আসামীকে সাথে নিয়ে ইং ০৪/১০/২০২৫ তারিখ ভোর ০৫.১০ ঘটিকার সময় বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মাইজপাড়া জারুয়ার দিঘীর পাড় ইয়ার মোহাম্মদের মালিকানাধীন পরিত্যাক্ত বাড়ীর দক্ষিণ পশ্চিম কোণায় ঝোপের ভিতর ইটের স্তূপে লুকানো অবস্থায় আসামীর দেখানো ও নিজ হাতে বাহির করে দেওয়া মতে ক) একটি কাঠের বাটযুক্ত দেশীয় তৈরি এলজি, যাহার বাটের অংশ-৭.৩ ইঞ্চি, হাতলের অংশ-৩ ইফি, খ) ০৯ টি বন্দুকের কার্তুজ, গ) ০১ টি সাদা রংয়ের ছোট শপিং ব্যাগ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ০৪ টি মামলাসহ বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ১১ টি মামলা পাওয়া যায়।