
মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
প্রেস রিলিজ
মামলার বাদী গত ২৬/০৮/২০২৫ইং তারিখ চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানাধীন খাটখালী ঘাট হতে ৩২ মণ ইলিশ মাছ, যাহার মূলা-১০,০৪,০০০ (দশ লক্ষ চার হাজার) ০১টি পিকআপ করে নোয়াখালী জেলায় বিক্রির উদ্দেশ্যে বাঁশখালী থেকে রওনা করে। তারা নোয়াখালী জেলায় যাওয়ার পথে গত ২৭/০৮/২০২৫
খ্রিঃ তারিখ রাত অনুমান ০১:০০ ঘটিকার সময় আকবরশাহ থানাধীন লতিফপুর টোল রোডস্থ সুমনের তৈলের দোকান সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর আসিলে হঠাৎ করে ০১টি সিএনজি তাদের গতিরোধ করলে পিকআপের ড্রাইভার গাড়ী ব্লেক করে। তখন রাস্তার বাম পাশে হতে অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদী দেশীয় অস্ত্র-সন্তে সজ্জিত হয়ে তাদের গাড়ী ঘিরে ফেলে। অতঃপর অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদী তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মালিক পক্ষের দুই জন সহ, গাড়ীর ড্রাইভার এবং হেলপারকে গাড়ী থেকে নিচে নামিয়ে ০১টি আইটেল এন্ড্রোয়েড ফোন, ৩টি বাটন ফোন, নগদ টাকা নিয়ে যায়। অতঃপর ৪/৫ জন বিবাদী গাড়ীতে ওঠে ইলিশ মাছ সহ গাড়ী নিয়ে পতেঙ্গার দিকে যায়। অন্যান্য অজ্ঞাত বিবাদীগণ তাদের গলায় ছুরি ধরে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে সমুদ্র পাড়ে জঙ্গলের ভিতর নিয়ে মারধর করে প্রায় ৩ ঘন্টা আটক করিয়া রাখে। পরবর্তীতে তাদেরকে অজ্ঞাত বিবাদীগণ ০১টি অজ্ঞাতনামা সিএনজি যোগে চট্টগ্রাম ফিলিং ষ্টেশন থেকে কিছুটা দূরে নামিয়ে তারা দ্রুত সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সূত্রোক্ত মামলা রুজু হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র)/রবিউল হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং বিশ্বস্থ সোর্সের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনার পাঁচ দিন পর গত ৩১/০৮/২০২৫ ইং বাংলাবাজার এলাকা থেকে ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত আসামী দিপু কে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার বিষয়ে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করিয়া একাধিক আসামীর নাম প্রকাশ করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে এবং ডাকাতির মাছ বিক্রি হইতে প্রাপ্ত তিন হাজার টাকা জব্দ করে। বিশ্বস্থ সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তিতে গত ০৮/০৯/২০২৫ ইং বাংলাবাজার এলাকা হইতে ডাকাত দলের সদস্য মাহফুজ কে গ্রেফতার করে। দীপুর তথ্যের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করিয়া আসামী বক্করকে গত ১৯/০৯/২০২৫ ইং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার তেতুলতলার দূর্গম এলাকার মেহেদির বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে। আসামী বন্ধরের দেওয়া তথ্য মতে অপর আসামী মো: বশরি আহম্মদ লিটন কে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারি থেকে গ্রেফতার করে। আসামী বশির আহমেদ লিটন ডাকাতির ঘটনার পর পিকআপ গাড়িটি রাত্রেবেলা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা থানাধীন দুর্গম এলাকায় নিয়ে যায় এবং গাড়িটি অপর আসামী রায়হানরে সহযোগীতায় কেটে টুকরো টুকরো করে। আসামী বশরি আহমদ লিটনকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে অপর আসামী রায়হানকে গ্রেফতার করে এবং তাহার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুষ্ঠিত ০১ টি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। আসামী বশির ও রায়হানরে সহযোগীতায় গত ২১/০১/২০২৫ ইং ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা থানাধীন দেলী গ্রামের একটি পুকুর হইতে ডাকাতরি ঘটনায় লিষ্ঠিত পিকআপের খন্ডিত অংশগুলো উদ্ধার করে। আসামী বশির আহমেদ লিটন কে রিমান্ডে এনে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করে গত ০৫/১০/২০২৫ ইং তাহার দেওয়া তথ্য মতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অপর আসামী মান্নান কে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটয়ারি এলাকা হইতে অভিযান পরিচালনা করিয়া গ্রেফতার করে। উক্ত ডাকাতির ঘটনায় সর্বশেষ ৬ জন ডাকাত গ্রেফতার আছে, যার মধ্যে ৩ জন আসামী স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।