
মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
মামলার বাদী- মোঃ নুরুল মোস্তফা (৩৩) একজন ব্যবসায়ী। বাদীর মালিকানাধীন ০১টি লাল রংয়ের বাজাজ মোটরসাইকেল (১৬০ সিসি), যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্রো-ল-১৮-৪৩৫৭, ইঞ্জিন নং-PDXCNK20760, চেসিস নং-MD2B57CX3NCK83618, মূল্য অনুমান ২,৫৫,০০০/-(দুই লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার) টাকা জরুরী প্রয়োজন উক্ত বাইকটি বিক্রয়ের জন্য তার ভাতিজা মোঃ মিকাত (২০) এর ব্যবহৃত ফেইসবুক আইডি হতে একটি বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন দেয়। পরবর্তীতে উক্ত বিজ্ঞাপনের সূত্রধরে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী শিবলী সাদিক (৪২) বাদীর উল্লেখিত মোটরসাইকেলটি ক্রয় করার জন্য তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ০১৩১৬-৮০৬১৮৭ হতে বাদীর ভাতিজা মোঃ মিকাত (২০) এর সাথে যোগাযোগ করে। তারই ধারাবাকিতায় ২৮/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৪৫ ঘটিকার সময় তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী ও এজাহারনামীয় আসামী রিনা আক্তার (৩৩)’কে নিয়ে উল্লেখিত মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য বাদীর বর্তমান ঠিকানা তথা পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন মির্জারপুলস্থ কে-প্লাজার সামনে আসে। ঐসময় বাদী সেখানে উপস্থিত ছিল না। তখন অজ্ঞাতনামা তদন্তে প্রাপ্ত আসামী শিবলী সাদিক বাদীর ভাতিজা মোঃ মিকাত(২০)’কে বলে মোটরসাইকেলটি সে ক্রয় করবে। তবে মোটর সাইকেলটি চালিয়ে দেখবে এবং চালানোর পর মূল্য নির্ধারণ করবে। বাদীর ভাতিজা তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত আসামীর কথা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে তাকে বাদীর মালিকানাধীন মোটরসাইকেলের চাবি দেয় এবং চালিয়ে দেখতে বলে। তখন বর্ণিত আসামী তার সঙ্গীয় এজাহারনামীয় আসামী রিনা আক্তার(৩৩)’কে বাদীর ভাতিজার সামনে রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে বর্ণিত মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে টেস্টিং এর জন্য সামনের দিকে যায়। একপর্যায়ে বর্ণিত তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত আসামী মোটর
সাইকেল চালিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। উক্ত ঘটনার বিষয়টি বাদীর ভাতিজা বাদীকে জানালে বাদী ঘটনাস্থলে আসে এবং বর্ণিত আসামী দীর্ঘ সময় পরও মোটরসাইকেল নিয়ে ফিরে না আসায় বাদী আসামীর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করে মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পায়। অতঃপর বাদী ও বাদীর ভাতিজা ঘটনাস্থল হতে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামীর সহযোগী রেখে যাওয়া বান্ধবী তথা এজাহারনামীয় আসামী রিনা আক্তার(৩৩)কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে বাদীর লিখিত এজাহারের প্রেক্ষিতে পাঁচলাইশ মডেল থানার মামলার নং-২১, তারিখঃ ২৯/০৮/২০২৫খ্রি, ধারা-৪০৬/৪২০/১০৯ পেনাল কোড রুজু হয়।
মামলার তদন্তকালে তদন্তকারী অফিসার এসআই
(নিঃ)/মোঃ আশরাফ উদ্দিন সরদার গুপ্তচরের দেওয়া তথ্যাদি ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় ০৬/১০/২০২৫খ্রিঃ রাত অনুমান ০২:০০ ঘটিকার সময় সিএমপি’র বন্দর থানাধীন ইছাক ডিপুর গেইট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী শিবলী সাদিক’কে গ্রেফতার করে। অতঃপর গ্রেফতারকৃত আসামীকে চুরি হওয়ায় মোটরসাইকেলের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে জানায় যে, নোয়াখালী জেলাধীন কবিরহাট থানাস্থ ভুইয়ারহাট সংলগ্ন তাহার শ্বশুর বাড়িতে সূত্রোক্ত মামলা সংক্রান্তে চুরি হওয়ায় মোটরসাইকেলটি রক্ষিত আছে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে তাহার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ নোয়াখালী জেলাধীন কবিরহাট থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলা সংক্রান্তে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল (১৬০ সিসি), যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্রো-ল-১৮-৪৩৫৭, ইঞ্জিন নং-PDXCNK20760, চেসিস নং-MD2B57CX3NCK83618, মূল্য অনুমান ২,৫৫,০০০/-(দুই লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার) টাকা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামী’কে যথাযথ পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।