আতিকুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নে ডহরপুর গ্রামে শুক্রবার রাতে হামিদুল ইসলামের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। আজ (২৯ আগস্ট) শুক্রবার আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডহরপুর গ্রামের পাঠক পাড়া মহল্লার বাসিন্দা গরু ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম প্রতিদিনের ন্যায় তার গোয়াল ঘরে ছয়টি গরু বেঁধে রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত তিন টার দিকে হামিদুলের স্ত্রী রেহেনা বেগম ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য উঠে গোয়াল ঘরে গরু দেখতে না পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করে। চুরি যাওয়া ছয়টি গরুর মধ্যে চারটি বাড়িতে পালন করা এবং অপর দুইটি গরু ব্যবসার জন্য দুই মাস পুর্বে হাট থেকে কিনে আনা হয়। চুরি যাওয়া ছয়টি গরুর আনুমানিক মুল্য সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন গরু ব্যবসায়ী হামিদুলের স্ত্রী রেহেনা বেগম। এর আগে গত রবিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের শিয়ালশন গ্রামের কীটনাশক ব্যাবসায়ী রওশন আলীর গোয়াল ঘর থেকে তার পালন করা বড়ো একটি গরু চুরি হয়ে যায়। চুরির বিষয়ে রওশন আলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ গরু উদ্ধারের কোনো কুলকিনারা করতে পারেনি। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে হামিদুলের গোয়াল থেকে ছয়টি গরু চুরি হয়ে গেছে। পরপর চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ঘটনা জানার পর থেকে চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার ও চোর সনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।