
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
রবিবার (২২) মার্চ মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার নিলামপুরদ্দী গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জন গুরতর আহত ৩ জনকে জখন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হসপিটালে ভর্তি করা হয়, আহতদের মধ্যে হলেন কবিরাজপুর ইউনিয়নের নিলাপুরদ্দী গ্রামের বাসিন্দা নাজমা বেগম (৫৬) গুরতর মাথায় রানদায়ের আঘাতে, দুর্বৃত্তদের হামলায় তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর ২৫০ সয্য বিশিষ্ট হসপিটালে রেফার্ড করেন। অন্য দিকে একই থানার হরিদাসদী মহেন্দ্রদী গ্রামের বাসিন্দা তেয়ব হাওলাদার (৫৫) আহত অবস্থায় মাথায় গুরতর আঘাতে রাজৈর হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে, একই গ্রুরুপের তেয়ব হাওলাদার ও রাজ্জাক হাওলাদার আপন ভাই, রাজ্জাক হাওলাদার (৫৫) গুরতর মাথায় আঘাতে প্রথমে রাজৈর ২৫০ সয্য হসপিটালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর সদর হসপিটালে রেফার্ড করা হয়।
নাজমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি সন্ধা নেমে আসলে মুরগীর খোপের দরজা আটকানো সময় পিছন থেকে ৩ জন লোক এসে বলে ধর ওরে পাইছি, বলে রানদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ শুরু করে হত্যা চেষ্টার জন্য তিনি ঘুরে দাড়ালেও তার মাথায় এসে কোপ লাগে, তিনি আরও বলেন, কোপটি দেয় একই গ্রামের ৯নং ওয়ার্ড এর আলি আহমেদ (৬০), নাজমা বেগম বলেন আমাকে রানদা দিয়ে কোপ দেওয়ার সময় ৩ জন ছিলেন, হুকুম দিয়েছে আবু হাওলাদার (৬০) ও পাশে ছিলে আবু হাওলাদারদের ছেলে ইমরান হাওলাদার সাথে থেকে আমাকে এলোপাথাড়ি বারি দেয় লাঠি দিয়ে পরে আমি পরে জাই পিছন থেকে আলি আহমেদ আমাকে কোপ দেয় তখন আমার জামাই বাড়িতে ছিলোনা আমাকে একা পেয়ে ওরা আমার উপরে হত্যা চেষ্টার জন্য আক্রমন করে আমার ২ ছেলে তারা দেশের বাইরে থাকে, আমাকে একা পেয়েই পূর্ব সত্রুতার জেরে ওরা আমার উপরে হামলা চালায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা জায়, আলি আহমেদ চায়ের দোকানে গেলে স্থানীয় সুশীল সমাজের লেকের তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের ওপরেও হামলা করার চেষ্টা করে, পরে এলাকাবাসী মিলে তাদের গনধোলাই দেন পরবর্তী ইমরান হাওলাদার তাদের সশুর বাড়িতে খবর দিলে অন্য এলাকা মহেন্দ্রী থেকে কিছু লোক এসে নিলামপুরদ্দীর বাসিন্দাদের উপরে এলোপাথাড়ি হামলা চালায় তার একটি সি.সি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে, মহেন্দদী গ্রাম থেকে আসা আহত দুজন হলেন, রাজ্জাক হাওলাদার ও তৈয়ব হাওলাদার।