1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
মসজিদের টাকা আত্মসাত: কয়রায় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ - নব দিগন্ত ২৪
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উল্লাপাড়া ব্র্যাক ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ২১,০০০ পিস ইয়াবাসহ শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকা থেকে ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ বগুড়া সান্তাহারে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিছিল ও গণসংযোগ বগুড়ায় শীর্ষ সন্ত্রাসী রতন ও ডাকাত সর্দার আশরাফ গ্রেপ্তার বগুড়ায় সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৭ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে তারেক রহমান—সকালেই ঘোষণা দিলেন মির্জা ফখরুল ডিমলায় গেজেট প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত শার্শা উপজেলায় উলাশী ইউনিয়নে নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভায় জনসমুদ্রে পরিণত যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি এলাকায় প্রেম করে বিয়ে শাশুড়ির গলায় ছুরি চালালো জামাই

মসজিদের টাকা আত্মসাত: কয়রায় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

জিল্লুর রহমান
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নব দিগন্ত ২৪ Nobo Digonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট