1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
জালিয়াপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, রাতের আঁধারে পুড়ে ছাই ১৯টি দোকান, কোটি টাকার ক্ষতি, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় স্থানীয়দের ক্ষোভ - নব দিগন্ত ২৪
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাদারীপুর সদর উপজেলা শিরখাড়া ইউনিয়নে ছেলের হাতে মায়ের মৃ/ত্যু বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবী এসোসিয়েশন এর রাজৈর উপজেলা শাখা আংশিক কমিটি গঠন। রানীশংকৈলে ‘সোনার মূর্তি’ দেখিয়ে প্রতারণা, ডিবির অভিযানে ভাই-বোন আটক সলঙ্গায় মেধার জয়গান : বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচ্ছাস পেকুয়ার মগনামায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উল্লাপাড়ায় নবাগত ওসি’র সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় মাদারীপুরে যাত্রা শুরু করলো শিক্ষা পরামর্শ ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘এডু অ্যাসিস্টস’ ডিমলায় আল মদিনা মডেল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে বাবার বুকফাটা আর্তনাদ

জালিয়াপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, রাতের আঁধারে পুড়ে ছাই ১৯টি দোকান, কোটি টাকার ক্ষতি, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মুবিনুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে শনিবার দিবাগত রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে অন্তত ১৯টি দোকান। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাত আনুমানিক ১টা ৪৪ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, সেনাবাহিনীর সদস্য এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে ছুটে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে অধিকাংশ দোকানই ভস্মীভূত হয়ে যায়।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইরিন আক্তার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা জানিয়ে ইউএনও আইরিন আক্তার বলেন—উপজেলা প্রশাসন এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে এবং যথাসম্ভব সহায়তা করা হবে।”

🔥 ফায়ার সার্ভিসের অভাবে বিপর্যয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় আগুন লাগার পর তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলেন—”গুইমারাতে যদি ফায়ার সার্ভিসের স্থায়ী অফিস থাকতো, তাহলে আগুন শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া যেত। হয়তো আমাদের এত বড় ক্ষতি হতো না।”

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত গুইমারায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট