1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
মুসলমানের ক্রয়কৃত জমিতে মন্দির নির্মানের পায়তারার অভিযোগ। এলাকায় উত্তেজনা। - নব দিগন্ত ২৪
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাদারীপুর সদর উপজেলা শিরখাড়া ইউনিয়নে ছেলের হাতে মায়ের মৃ/ত্যু বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবী এসোসিয়েশন এর রাজৈর উপজেলা শাখা আংশিক কমিটি গঠন। রানীশংকৈলে ‘সোনার মূর্তি’ দেখিয়ে প্রতারণা, ডিবির অভিযানে ভাই-বোন আটক সলঙ্গায় মেধার জয়গান : বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচ্ছাস পেকুয়ার মগনামায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উল্লাপাড়ায় নবাগত ওসি’র সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় মাদারীপুরে যাত্রা শুরু করলো শিক্ষা পরামর্শ ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘এডু অ্যাসিস্টস’ ডিমলায় আল মদিনা মডেল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে বাবার বুকফাটা আর্তনাদ

মুসলমানের ক্রয়কৃত জমিতে মন্দির নির্মানের পায়তারার অভিযোগ। এলাকায় উত্তেজনা।

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে


এস এম ফেরদৌস হোসাইন
মাদারীপুর প্রতিনিধি:

রাজৈর উপজেলার পাশ্ববর্তী মুকসুদপুরের গোহালা ইউনিয়নের গোহালার বাজার সংলগ্ন মুসলমান মালিকের জায়গায় মন্দির নির্মানের কাজ শুরু করায় অভিযোগ উঠেছে। তবে মন্দির নির্মানকারী বলছে তার মামা তাকে থাকতে দিয়ে ভারতে চলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

জানা যায়, গোহালা বাজারের পাশে গোহালা মৌজার সারে ১০ শতক জমি শ্রীযুতপুর গ্রাম নিবাসী এম এ খায়ের মোল্লা (বাচ্চু) জমির মালিক নিতাই চন্দ্র সাহা, শ্যাম সুন্দর সাহাদের নিকট হতে রেজিস্ট্রি দলিলে ক্রয় করে নামজারি ও খাজনাদি পরিশোধ করে আসছেন। পূর্বের মালিকদের ভাগিনা মনোরঞ্জন সাহা উক্ত জমিতে মামাদের আশ্রয়ে বসবাস করে আসছিল। জমি বিক্রয় হয়ে যাওয়ার পরে সে বাড়ি না ছেড়ে ছলেবলে উক্ত জমি স্থায়ী দখলের উদ্দেশ্যে পাকা মন্দির ঘর নির্মান শুরু করে।
বর্তমান মালিক এম এ খায়ের মোল্লা (বাচ্চু)
জানান, স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতিকারীদের সহযোগিতায় আমার উক্ত ক্রয়কৃত জায়গা অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে মন্দির বানানোর পায়তারা করছে। আমি বিষয়টি সিন্দিয়াঘাট ফারিকে জানালে এ এস আই মনির হোসেন গিয়ে জমি দখল করে মন্দির বানানো থেকে বিরত থাকতে বলেন।
সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফারির এ এস আই মনির হোসেন জানান, আমরা বিষয়টি অবহিত হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মান কাজ বন্ধ রাখার কথা বলে আসছি।
মন্দির নির্মানকারী মনোরঞ্জন সাহা জানান, আমি পরিবার নিয়ে প্রায় ৫০ বছর যাবত এখানে বসবাস করছি। তবে জায়গাটি আমার নামে রেকর্ড না হওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের মামলা আদালতে চলমান। পুজা করার জন্য মন্দির নির্মান করছি। তবে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি।

মাদারীপুর

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট