1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
যশোর নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়ায় সেই ভেজাল সার কারখানা সিলগালা ৬০ হাজার টাকা জরিমান - নব দিগন্ত ২৪
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাদারীপুরে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা বগুড়ায় দৈনিক ভোরের ডাক ৩৫ বর্ষপূর্তির বর্ণাঢ্য উৎসব রাজধানী বাউনিয়াবাদ অসতর্কভাবে বিল্ডিং এর নির্মাণ কাজ করার সময় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু আদমদীঘিতে ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু!! আদমদীঘিতে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন! এমপি মহিত তালুকদারের হাত ধরে শুরু হলো সবুজায়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ! উল্লাপাড়ায় ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা স্ত্রী হাসপাতালে উল্লাপাড়ায় ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা স্ত্রী হাসপাতালে যশোর শার্শায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারি আটক বগুড়া সান্তাহারে এমপি আব্দুল মহিত তালুকদারকে সংবর্ধনা ডিবি যশোর কর্তৃক আলমগীর হত্যা ঘটনায় যশোরের ত্রাস, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ভাইপো রাকিব গ্রেফতার

যশোর নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়ায় সেই ভেজাল সার কারখানা সিলগালা ৬০ হাজার টাকা জরিমান

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

মনা যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়ায় ভেজাল দস্তা সার কারখানায় সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে কারখানা মালিক সামাউল ইসলাম ইমনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন যশোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হুমায়ন কবির, জাহিদুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য, কৃষি কর্মকর্তাগণ, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন দেন কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা।

কারখানাটি সিলগালা করে সকল মালামাল স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাউল ইসলাম ইমন দীর্ঘদিন ধরে তালবাড়িয়া দক্ষিণপাড়ায় ভেজাল মোবিল ও দস্তা সার উৎপাদন করে আসছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব কারখানার কারণে পরিবেশ ও কৃষির ক্ষতির খবর প্রকাশিত হলে কৃষি বিভাগ এ অভিযান চালায়। ইমন তার বাড়ির অদূরে সড়কের পাশে মোবিল কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। এ কারণে ধোঁয়া ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। অনেকের শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

এছাড়া কারখানার বর্জ্য ফেলার কারণে পাশের পুকুর দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে এবং পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
তারা আরও জানান, ইমন নিয়মিত কারখানার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেন। তালবাড়িয়া, ঘুরুলিয়া ও জোত হাশিমপুর এলাকায় রয়েছে তার একাধিক গোপন কারখানা। ২০১৯ সালে র‌্যাব ও কৃষি কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তিনি নতুন জায়গায় উৎপাদন শুরু করেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের এসব সার মাটি ও ফসলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হলেও বিভিন্ন জেলায় তা সরবরাহ করা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থবলকে কাজে লাগিয়ে ইমন বছরের পর বছর ধরে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত বছরের আগস্টে অভিযানের পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও বর্তমানে আবার পুরো দমে কারখানা চালাচ্ছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট