
মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
মামলা বাদী মোঃ আব্দুর রশিদ (৫৭), পিতা-মৃত মতলেব আলী, গ্রাম- দক্ষিণ বারপোতা, থানা-বেনাপোল পোর্ট থানা, জেলা-যশোর বিজ্ঞ আদালতে আসামী ১) আব্দুল কাদের ওরফে কাদের (৩৬), পিতা-শাহাদাত ফকির, গ্রাম- দক্ষিণ বারপোতা, থানা- বেনাপোল পোর্ট থানা, জেলা-যশোর সহ এজাহারনামীয় ০৪ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে গত ইং-০৮/০৪/২০২৬ তারিখ আনুমানিক রাত ১১.০০ ঘটিকার সময় বাদীর ছেলে ভিকটিম মোঃ ইকরামুল কবির (২৬) কে শার্শা থানাধীন সেতাই গ্রামস্থ ভিকটিমের বোনের বাড়ী হতে অপহরণ করে নিয়ে খুন জখমের ভয়ভীতি দেখিয়ে মুক্তিপণ দাবি, প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করার বিষয়ে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করেন।
উক্ত নালিশি দরখাস্তের প্রেক্ষিতে শার্শা থানায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করতঃ মামলাটির তদন্তভার শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে কর্মরত এসআই(নিঃ)/চঞ্চল কুমার বিশ্বাসের উপর অর্পণ করা হয়। এসআই(নিঃ)/চঞ্চল কুমার বিশ্বাস মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করে আনুসঙ্গিক কাযক্রম শেষে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় এজাহারনামীয় ০২নং আসামী মিসেস মুন্নি আক্তার ওরফে মুন্নি (৩৬), ০৩নং আসামী কাকলী আক্তার ওরফে কাকলী (৩৪) এবং ৪নং আসামী ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল (৬০)দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
পরবর্তীতে এজাহারনামীয় গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্যমতে বর্ণিত মামলার ঘটনার সহিত জড়িত মূল আসামী আল ফরহাদ (২৩) কে গ্রেফতার করা হয়।
মূল আসামী আল ফরহাদকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামী আল ফরহাদের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে ভিকটিম ইকরামুলের উপর ক্ষেভে তাকে হত্যা করে গরুর গোয়াল ঘরের ভিতর গর্ত করে পুতে ফেলে কংক্রিট দিয়ে ঢালাই দিয়ে দিয়েছে। আসামী আল ফরহাদের দেখানো মতে সেখান থেকে ভিকটিমের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। অত্র মামলার বাদী তার সন্তানের মৃত দেহ সনাক্ত করে।
ধৃত আসামীদের ইং-১০/০৫/২০২৬ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আসামীদের নাম ও ঠিকানাঃ-
০১। মুন্নি আক্তার ওরফে মুন্নি (৩৬)
পিতা-ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল
সাং-সেতাই
০২। কাকলী আক্তার ওরফে কাকলী (৩৪)
পিতা-মৃত রুহুল কুদ্দুস
সাং-আমলাই
০৩। ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল (৬০)
পিতা-ইব্রাহিম মোড়ল
সাং-সেতাই (পশ্চিমপাড়া), সর্ব থানা-শার্শা, জেলা-যশোর
০৪। আল ফরহাদ (২৩), (০২নং আসামীর ৩য় স্বামী), পিতা-আরশাদ আলী
সাং-বসতপুর, থানা-শার্শা, জেলা-যশোর