1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
গ্রামীণ উৎসবে মুখর সলঙ্গার আঙ্গারু মেলা শুরু - নব দিগন্ত ২৪
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল তরুণ শ্রমিকের গ্রামীণ উৎসবে মুখর সলঙ্গার আঙ্গারু মেলা শুরু মাদারীপুরে ৬ স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি, কোটি টাকার স্বর্ণালংকার লুট ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ৮০০ লিটার তেল মজুত: মজুত কারীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর এলাকায় অভিযানে ডাকাতি হওয়া ৪০০ বস্তা চাউল ট্রাক উদ্ধারসহ ডাকাত আটক ডিমলায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় নবীন বরন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে ৪০ লক্ষ টাকার জাল নোটসহ ১ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন দনিয়া কলেজের সামনে থেকে সিরিয়াল রেপিস্ট রাশেদুল ইসলাম রাব্বিকে আটক করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রাজু এন্টারপ্রাইজ খুলনায় একুশে টেলিভিশনের ২৭ বছরে পদার্পণ এবং বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় পুলিশ কমিশনার

গ্রামীণ উৎসবে মুখর সলঙ্গার আঙ্গারু মেলা শুরু

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :

ঐতিহ্য,আধ্যাত্মিকতা আর গ্রামীণ জীবনের অনন্য মেলবন্ধনে এবারও শুরু হলো সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার আঙ্গারু গ্রামের প্রাচীনতম বৈশাখী মেলা।প্রায় দুইশ’ বছরের পুরোনো এই মেলা আজ থেকে শুরু হয়ে চলবে পুরো বৈশাখ মাস জুড়ে প্রতি শনিবার।

গ্রামের আঙ্গারু পাঁচ পীর মাজারকে ঘিরেই মূলত এই মেলার সূচনা।মাজার কমিটির প্রবীণ সভাপতি নুরুল হক (৯০) জানান,বহু বছর আগে ভারত থেকে আগত এক আধ্যাত্মিক সাধক এই অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে এসে স্থানীয়দের পাঁচ পীরের মাজারের কথা জানান।তার নির্দেশে জঙ্গল পরিষ্কার করে সেখানে জিকির ও দোয়ার আয়োজন শুরু হয়।সেই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ওরশ মাহফিলের পাশাপাশি বৈশাখের প্রতি শনিবার বসতে থাকে এই ঐতিহ্যবাহী আঙ্গারু মেলা।

সময়ের পরিক্রমায় মেলাটি শুধু ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি,এটি এখন গ্রামীণ জীবনের এক প্রাণবন্ত উৎসবে রূপ নিয়েছে।তবে জায়গার সংকট ও তীব্র গরমের কারণে মেলার পরিধি কিছুটা সীমিত হলেও, আগত মানুষের ঢল থামেনি।জায়গা না পেয়ে অনেক সময় মেলার বিস্তৃতি সড়ক পর্যন্ত গড়ায়,ফলে দর্শনার্থীদের কিছুটা ভোগান্তিও পোহাতে হয়।

মেলার প্রধান আকর্ষণ গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতির নানা উপাদান বাঁশ ও বেতের তৈরি ডালা,কুলা,হাতপাখা,মাটির তৈজসপত্র ও পুতুল সবকিছুতেই ফুটে ওঠে বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য। পাশাপাশি মিষ্টান্নের দোকানগুলোতে ভীড় লেগেই থাকে। মুড়ি-মুড়কি, রসগোল্লা,বাতাসা,কদমা,পাঁপড় আর গরম জিলাপির ঘ্রাণে মুখর থাকে পুরো এলাকা।

শিশুদের জন্য খেলনার দোকান, নারীদের জন্য প্রসাধনী সামগ্রী,আর রান্নার উপকরণের মসলার দোকান—সব মিলিয়ে মেলাটি হয়ে ওঠে এক পূর্ণাঙ্গ গ্রামীণ বাজার।

এই মেলাকে ঘিরে এক বিশেষ সামাজিক রীতিও লক্ষ্যণীয়। আশেপাশের গ্রামের অনেক বিবাহিত নারীরা বৈশাখ মাসে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।আত্মীয়-স্বজনদের আনাগোনায় পুরো অঞ্চল যেন পরিণত হয় মিলনমেলায়।অন্য যে কোন উৎসবের তুলনায় এ সময় গ্রামগুলোতে উৎসবের আমেজ থাকে সবচেয়ে বেশি।

মেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মেলা পরিচালনার সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

ঐতিহ্য,সংস্কৃতি আর মানুষের মিলন—সব মিলিয়ে আঙ্গারুর বৈশাখী মেলা যেন গ্রামীণ বাংলার প্রাণের উৎসব,যা সময়ের স্রোত পেরিয়েও আজও একই আবেগে বেঁচে আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট