1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বেনাপোলে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ স্থলবন্দর চেয়ারম্যানের বৈঠক - নব দিগন্ত ২৪
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বেনাপোলে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ স্থলবন্দর চেয়ারম্যানের বৈঠক দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের গুলিতে রাণীশংকৈলের প্রবাসী যুবকের মৃত্যু, লাশ দেশে আনতে পরিবারের আহাজারি লাল শাড়িতে আসবি আমার ঘরে –নতুন স্যাড রোমান্টিক গানে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন রিয়াদ আহসান ডিবি যশোরের অভিযানে রিয়াল প্রতারকচক্রের ০২ (দুই) সদস্য আটক যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান- ২০২৬ অনুষ্ঠিত গ্রেফতার করতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ, মাথা ফাঁটিয়ে পালালো আসামি খুলনা রেঞ্জে ডিআইজি কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এপ্রিল ২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে চলছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে চলছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। যশোর বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ৯ লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি বর্ডার গার্ড

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বেনাপোলে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ স্থলবন্দর চেয়ারম্যানের বৈঠক

মোঃ মনা যশোর
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল ও বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বেনাপোলে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কলেছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. মানজারুল মান্নান।

বেনাপোল বন্দর অডিটোরিয়ামে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- বন্দরে যেসমস্ত বিরাজমান সমস্যগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানে তানক্ষণিকভাবে একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স ও মালামাল লোড-আনলোডের জন্য নতুন ক্রেন-ফরক্লিপ দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিক শাহজাহান আলীর জানাজায় অংশ গ্রহন করেন এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেন তিনি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষের কান্ডারী আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ শামসুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ খায়রুজ্জামান মধূ, বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহসভাপতি আতিকুজ্জামান সনি, সাধারণ সম্পাক আবু তাহের ভারত, যুবদলের আহবায়ক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম ও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন

প্রজনন মৌসুমেও থামছে না ইলিশ শিকার: পায়রা-লোহালিয়ায় ‘চোর-পুলিশ’ খেলা ​সাকিব হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ​পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা, পাণ্ডব, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীগুলো যেন এখন মা ইলিশ সংরক্ষণের সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও এই নদ-নদীগুলোতে চলছে অবাধে ইলিশ শিকারের প্রতিযোগিতা। একদিকে মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান, অন্যদিকে জেলেদের লুকোচুরি—দু’পক্ষের এই ‘চোর-পুলিশের খেলা’ কোনোভাবেই থামছে না। ​লাগাতার অভিযান, তবুও শিকার বন্ধ হচ্ছে না ​নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে দুমকি উপজেলার উল্লিখিত নদ-নদীগুলোতে অন্তত ১৫টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে শতাধিক অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার ৪টি নৌকা জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। একইসঙ্গে, আইন ভাঙার অপরাধে ছয়জন জেলেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​প্রশাসনের এই কঠোর তৎপরতা সত্ত্বেও নদীতে ইলিশ শিকারের প্রবণতা কমছে না। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, দিন-রাত সমান তালে চলছে এই মাছ ধরার কাজ। অভিযানের ট্রলার দেখলেই জেলেরা নৌকা-জাল নদীর তীরে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে। আবার ট্রলার চলে গেলেই মুহূর্তের মধ্যে তারা ফিরে এসে পুনরায় জাল ফেলছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে ও ভোররাতে জেলেরা দল বেঁধে ছোট নৌকায় ইলিশ শিকার করছে। মৎস্য কর্মকর্তারা যখন নদীর এক প্রান্তে অভিযান চালান, ঠিক তখনই অন্য প্রান্তে শত শত নৌকা-জালে মাছ ধরা চলে। ​ ​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে অভিযোগ করে বলেছেন, নদীই তাদের একমাত্র জীবিকা। সরকার যদি তাদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না করে, তবে না খেয়ে মরতে হবে। ​অন্যদিকে, দুমকি উপজেলার দায়িত্বরত মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইলিশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইন ভাঙলে কোনো ছাড় নেই। তিনি বলেন, ইলিশ সংরক্ষণে প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং মা-ইলিশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। ​সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ। কিন্তু পায়রা, লোহালিয়া ও পাণ্ডব নদীতে অবাধে শিকার চলতে থাকায় ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও এই ‘চোর-পুলিশের খেলা’ চলছেই। বার্তা প্রেরকঃ- সাকিব হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি। তারিখঃ ৯/১০/২০২৫ইং

© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট