1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে যশোর বেনাপোল পৌর বিএনপি'র সাড়াজাগানো বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত - নব দিগন্ত ২৪
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝুঁকিপূর্ণ,যৌন শোষণ ও পাচারের শিকার শিশুদের আইনী সুরক্ষায় জন্ম নিবন্ধন এখন অপরিহার্য বগুড়া সান্তাহারে রেললাইনের পাশে থেকে হাত-পা ভাঙা মারাত্মক জখম আহত ১ নারীকে উদ্ধার সলঙ্গায় জালনোট মাদকসহ ৫ জন গ্রেফতার ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা ডিমলায় প্রাইজ মানি ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত বগুড়া সান্তাহারে প্রভাবশালীর তাণ্ডব, সরকারি পুকুরে মাটি উত্তোলনে মোটা জরিমানা বগুড়া আদমদীঘিতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর বগুড়ায় নিজের শ্যালো মেশিন সেচ ঘরের পাশ থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার বগুড়ার সাবেক এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ গ্রেপ্তার বগুড়ায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে যশোর বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সাড়াজাগানো বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

মনা যশোর প্রতিনিধিঃ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার বৈপ্লবিক আন্দোলণে ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এর মধ্য দিয়ে তার ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে যা পরবর্তীতে ৩৬ জুলাই নামে পরিচিতি পায়। ভয়ংকর এবং বিভৎস ঐ আন্দোলণে সহস্রাধিক ছাত্র-জনতা নিহত হয় এবং হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত এবং পঙ্গু হয়ে মৃত্যু’র ঝুকি নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল,ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ৫ আগষ্ট/২০২৪ আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশের ক্ষমতার আসনে বসেন ড.ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। আনন্দের এই দিবসটিকে যথাযথ পালণে জাতীয় দিবস এবং সরকারী ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। ২০২৫ সাল ইং থেকে প্রতিবছরের ৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালিত হবে। 

সমগ্র দেশের ন্যায় যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)’র বেনাপোল পৌর শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপি নানা কর্মসূচি এবং বিশাল বিজয় র‍্যালি ও গণ মিছিল বের করা হয়। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার(৫ আগষ্ট) বিকাল ৩ টায় বেনাপোল পৌর এলাকার ঐতিহ্যবাহী বলফিল্ড ময়দানে বিএনপি’র শত শত নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষ টিপ টিপ বৃষ্টি উপেক্ষা করে জড়ো হতে থাকে। এ সময় বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন ফলফিল্ড প্রাঙ্গণ সহ মহাসড়ক জুড়ে লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। প্রায় ১ কিলোমিটার ব্যাপি দীর্ঘ র‍্যালির কারণে বেনাপোলে যানজট সৃষ্টি হয়, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ওসি মো. রাসেল মিয়ার নেতৃত্বে  বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ হিমশিম খায়। বিজয় মিছিলে একে অপরের প্রতি রং মাখামাখি করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় উৎসুক নেতা-কর্মীরা। “বীরের বেশে আসবে ফিরে,তারেক রহমান বাংলাদেশে”। এমন হরেক রকমের মুহুর্মূহু শ্লোগান ওঠে বিজয় মিছিলে,এ যেন অন্য রকম আনন্দ ফিরে এসেছে নেতা-কর্মীদের মাঝে। র‍্যালি টি বলফিল্ড হতে শুরু করে বেনাপোল বন্দর এলাকা প্রদক্ষিন শেষে পুণরায় মিছিলটি বলফিল্ডে ফিরে আসে।

বৃহৎ ঐ বিজয় মিছিলে নেতৃত্ব দেন বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সভাপতি-মো.নাজিম উদ্দিন,সহ:সভাপতি   এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি এবং সাধারণ সম্পাদক-মো.আবু তাহের ভারত।

এ ছাড়াও নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-.মাসুদুর রহমান মিলন(সহ: সভাপতি,বেনাপোল পৌর বিএনপি),শাহাবুদ্দিন(সহঃসভাপতি),ইদ্রিস মালেক(সহঃসভাপতি,পৌর বিএনপি),মো.মেহেরুল্লাহ(যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক,বেনাপোল পৌর বিএনপি).মো. আব্দুল আহাদ(সাংগঠনিক সম্পাদক বেনাপোল পৌর বিএনপি-১),মো.আক্তারুজ্জামান আক্তার(সাংগঠনিক সম্পাদক-২),মফিজুর রহমান বাবু(আহবায়ক,বেনাপোল পৌর যুবদল),রায়হানুজ্জামান দিপু(সদস্য সচিব,বেনাপোল পৌর যুবদল),মাসুদুর রহমান কাক্কু(পরিবেশ সম্পাদক,বেনাপোল পৌর বিএনপি),মো.হাসান ইমাম(ভারপ্রাপ্ত সভাপতি,বেনাপোল পৌর কৃষকদল),বাবু ভাই(ভবারবেড় গ্রামের বিএনপি নেতা),বিএনপি নেতা আমিরুল ইসলাম বাবু,রেজাউল করিম রেজা(মাছ ব্যবসায়ী),খোকন(মাছ ব্যবসায়ী),মো.শহিদুল ইসলাম শহীদ(আহবায়ক,বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল),মো. ওমর ফারুক(সদস্য সচিব,বেনাপোল পৌরস্বেচ্ছা সেবকদল),
মো.জাহাঙ্গীর হোসেন(যুগ্ম-আহবায়ক)
বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল), মো.আরিফুল ইসলাম আরিফ(আহবায়ক,বেনাপোল পৌরছাত্রদল),ইশতিয়াক হোসেন শাওন(সদস্য সচিব,বেনাপোল পৌর ছাত্রদল), মো.আলিফ হোসেন(আহবায়ক,ছাত্রদল বেনাপোল ডিগ্রি কলেজ), মো.রাসেল রানা(সদস্য সচিব, বেনাপোল ডিগ্রি কলেজ)।

এছাড়াও বেনাপোল পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের এবং শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ সহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতৃবৃন্দ বিজয় মিছিলে

অংশ নেন। 
উল্লেখ্য, ২০১৮  ইং সনে বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে একটি গণআন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্বে ছিল সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে চলমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করা। আন্দোলনের ধারাবাহিকতা এবং শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে আওয়ামী সরকার ৪৬ বছরের পুরনো কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, ২০২১ সালে, অহিদুল ইসলাম সহ মুক্তিযোদ্ধাদের সাত সন্তান এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ৫ জুন ২০২৪ ইং তারিখ হাইকোর্ট বেঞ্চ কোটা ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে। রায় ঘোষণার পরপরই, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত হয় ১ জুলাই/২০২৪ ইং তারিখ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) সংগঠন। সংগঠনটি

কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তীতে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানী ঢাকা সহ সমগ্র দেশ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। শত সহস্রাধিক মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত এবং পঙ্গু হয়ে মৃত্যু’র ঝুকি নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল,ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট