1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
এনায়েতপুরে বাঁশ-ছনের নির্মিত মসজিদটি আজ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত - নব দিগন্ত ২৪
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতির ঈদ শুভেচ্ছা ৮০ পরিবারের মাঝে “তারুণ্যের পথ চলা” সংগঠনের ঈদ উপহার বিতরণ ঈদ জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বগুড়া আদমদীঘিতে অতিরিক্ত দামে মাংস বিক্রি, ৬ দোকানিকে জরিমানা মালতীনগর আমতলায় যুব সমাজের সহায়তায় দরিদ্ররা পেল ঈদ উপহার ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের রাজৈরে পিকাপ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংর্ঘষে দুই শিশুসহ আহত আট ১টি টয়োটা হার্ড জীপ গাড়ি উদ্ধারসহ ৩ জনকে আটক করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ যশোর শার্শা উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু’র উদ্যোগে ১ হাজার পরিবারের মাঝে একটি করে গাছ ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন যশোর বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১০ ব্যাচের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ৪ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি বর্ডার গার্ড

এনায়েতপুরে বাঁশ-ছনের নির্মিত মসজিদটি আজ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত

জি এম সপ্না
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

 

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

দুই বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত দ্বিতল মসজিদটি। ২৩৫ বছর আগে স্থানীয়দের উদ্যোগে মসজিদটি নির্মাণ করে স্থানীয়রা। একসঙ্গে প্রায় তিন হাজার মানুষ মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে পারেন। পুরনো এ মসজিদটি ঘিরে দশনার্থীদের ভিড় লেগেই থাকে। বলছি  সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুরের কেন্দ্রীয় মসজিদের কথা।

দৃষ্টি নন্দন এ মসজিদের প্রধান ফটকে একটি বড় গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া চার কোনায় চারটি ছোট গম্বুজ রয়েছে। সীমানা প্রাচীরের ৩০টি ছোট গম্বুজ ও পিলারগুলোতে লতাপাতার কারুকাজ খচিত আল্পনা যে কারও দৃষ্টি কাড়ে।

দ্বিতলবিশিষ্ট এ মসজিদ প্রতিষ্ঠাকালীন কাশ ফুলের ছন ও বাঁশ দিয়ে নির্মাণ করে এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ। পরবর্তীতে টিনের ছাউনি দিয়ে মসদিজটি পুর্ননির্মাণ করা হয়। সবশেষ ২০০৭ সালের দিকে দ্বিতল বিশিষ্ট স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটি জেলার অন্যতম প্রাচীণ মসজিদ।

পুরনো এ মসজিদ দেখতে ও নামাজ পড়তে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু মানুষের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে মসজিদের পাশেই বিশ্বমানের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল ও ক্যান্সার সেন্টারে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত রোগীর স্বজন এবং বিদেশি ছাত্ররা জুমার নামাজ আদায় করেন।

প্রবীণ মুসল্লি হাজী সামান আলী বলেন, ‘মুরুব্বিদের কাছে শুনেছি, এ মসজিদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ আসতো নামাজ আদায় করতে। তখন গ্রামে গ্রামে খুব বেশি মসজিদ চোখে পড়তো না।’ মসজিদটির সুউচ্চ মিনারের কথা জানিয়ে এ বৃদ্ধা বলেন, ‘মুয়াজ্জিন বেলায়েত হোসেন দেড় যুগ বিনা পারিশ্রমিকে এ মসজিদের খেদমেত করেছেন। নিজ অর্থায়নে তিনি ২৫ ফুট উচ্চতার মিনার নির্মাণ করেছিলেন।’

এলাকার চিত্রশিল্পী মোশারফ হোসেন খান জানান, কেজি মোড় থেকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে সড়কে যাতায়াতকারী সকলের নজর কাড়ে বড় মসজিদটি। এর সুউচ্চ তিনটি মিনারসহ  মেহরাবে বিশাল আকৃতির একটি গুম্বজ রয়েছে।

মসজিদটির ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ আলী বলেন, ঐতিহ্যবাহী বড় মসজিদে প্রায় আড়াই যুগ ধরে প্রতি বৃহস্পতিবার পবিত্র কুরআন খতম করা হয়। গ্রামের সর্বস্তরের মুসুল্লিদের সহযোগিতায় প্রায় ১০ থেকে ১৫জন হাফেজ কুরআন তেলাওয়াত করেন।

এনায়েতপুর বড় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা জোদ্দার বলেন, ‘এটি শুধু আমাদের এলাকার নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীণ জামে মসজিদ।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট