1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
আদমদীঘিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন দেড় শতাধিক রোগী - নব দিগন্ত ২৪
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আপিলে মিলল স্বস্তি, নির্বাচনী বৈধতা ফিরে পেলেন ঠাকুরগাঁও–৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি রাজধানীর মগবাজার এলাকা হতে ৭০ বোতল Eskuf সিরাপ ও দুইটি মোটরসাইকেলসহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে আটককৃত ব্যক্তির মৃত্যুবরণ প্রসঙ্গে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয় লক্ষ টাকার বিদেশি মদসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ শার্শায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত যশোর বেনাপোলে ‘সৃজনশিখা’র উদ্যোগে নাগরিক ভাবনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত দাকোপের বানিশান্তায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অবশেষে ভেঙে ফেলা হলো পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়

আদমদীঘিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন দেড় শতাধিক রোগী

আতিকুর রহমান
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

আতিকুর রহমান,, স্টাফ রিপোর্টার: বেডো সমৃদ্ধি কর্মসূচির স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমের আওতায় বগুড়ার আদমদীঘিতে দিনব্যাপী অর্থোপেডিক্স ও চর্ম-যৌন বিষয়ক স্বাস্থ্য ক্যাম্পে ১৫০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের কদমা উচ্চ বিদ্যালয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন বেডো সমৃদ্ধি কর্মসূচির উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেডো সমৃদ্ধি কর্মসূচির সহকারী উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী শিবনাথ চন্দ্র পাল, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রুহুল আমিন, স্বাস্থ্য পরিদর্শক মিম্মা আক্তার মিম, ছালমা বেগম, ফিরোজা, সনি, তাসলিমা, সুমাইয়া, শিক্ষক লাবনী ও আরোবি প্রমুখ। ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করেন অর্থোপেডিক্স ডাক্তার আখেরুজামান রবি ও চর্ম-যৌন রোগের ডাক্তার আব্দুল আওয়াল সম্রাট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন

প্রজনন মৌসুমেও থামছে না ইলিশ শিকার: পায়রা-লোহালিয়ায় ‘চোর-পুলিশ’ খেলা ​সাকিব হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ​পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা, পাণ্ডব, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীগুলো যেন এখন মা ইলিশ সংরক্ষণের সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও এই নদ-নদীগুলোতে চলছে অবাধে ইলিশ শিকারের প্রতিযোগিতা। একদিকে মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান, অন্যদিকে জেলেদের লুকোচুরি—দু’পক্ষের এই ‘চোর-পুলিশের খেলা’ কোনোভাবেই থামছে না। ​লাগাতার অভিযান, তবুও শিকার বন্ধ হচ্ছে না ​নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে দুমকি উপজেলার উল্লিখিত নদ-নদীগুলোতে অন্তত ১৫টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে শতাধিক অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার ৪টি নৌকা জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। একইসঙ্গে, আইন ভাঙার অপরাধে ছয়জন জেলেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​প্রশাসনের এই কঠোর তৎপরতা সত্ত্বেও নদীতে ইলিশ শিকারের প্রবণতা কমছে না। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, দিন-রাত সমান তালে চলছে এই মাছ ধরার কাজ। অভিযানের ট্রলার দেখলেই জেলেরা নৌকা-জাল নদীর তীরে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে। আবার ট্রলার চলে গেলেই মুহূর্তের মধ্যে তারা ফিরে এসে পুনরায় জাল ফেলছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে ও ভোররাতে জেলেরা দল বেঁধে ছোট নৌকায় ইলিশ শিকার করছে। মৎস্য কর্মকর্তারা যখন নদীর এক প্রান্তে অভিযান চালান, ঠিক তখনই অন্য প্রান্তে শত শত নৌকা-জালে মাছ ধরা চলে। ​ ​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে অভিযোগ করে বলেছেন, নদীই তাদের একমাত্র জীবিকা। সরকার যদি তাদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না করে, তবে না খেয়ে মরতে হবে। ​অন্যদিকে, দুমকি উপজেলার দায়িত্বরত মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইলিশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইন ভাঙলে কোনো ছাড় নেই। তিনি বলেন, ইলিশ সংরক্ষণে প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং মা-ইলিশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। ​সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ। কিন্তু পায়রা, লোহালিয়া ও পাণ্ডব নদীতে অবাধে শিকার চলতে থাকায় ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও এই ‘চোর-পুলিশের খেলা’ চলছেই। বার্তা প্রেরকঃ- সাকিব হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি। তারিখঃ ৯/১০/২০২৫ইং

© নব দিগন্ত ২৪ Nobo Digonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট