1. fakiraual842@gmail.com : নব দিগন্ত ২৪ : নব দিগন্ত ২৪
  2. rmriyad150@gmail.com : fokir :
  3. nobodigonto24.khag.dist.repse@gmail.com : Md. Mobinul Islam : Md. Mobinul Islam
ডিমলায় সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মত স্কুল ছুটি।  - নব দিগন্ত ২৪
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সলঙ্গায় বিধবাকে সমাজচ্যুত করার অভিযুক্ত প্রভাবশালী সৎ ছেলে-নাতি ডিমলায় প্রাইজ মানি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিদেশি পিস্তল, গুলি,ম্যাগাজিন ও প্রাইভেট কারসহ ২ জনকে আটক করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ যশোরে র‍্যাবের হাতে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি আটক ট্র্যাভেল পারমিটে ভারতে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো ৩৩ বাংলাদেশি নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার মহেন্দ্রদী জালালখাঁর বাড়ী জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত। বগুড়া আদমদীঘিতে প্রতিপক্ষের হামলায় এক নারী নিহত বগুড়ার নন্দীগ্রামে ট্রাকচাপায় কিশোর নিহত সলঙ্গায় ঈদের রাতে আগুনের তাণ্ডব : ক্ষতি প্রায় অর্ধ কোটি টাকা

ডিমলায় সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মত স্কুল ছুটি। 

সদস্য, নবদিগন্ত 24
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃমামুন ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি


নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বিদ্যালয়ে তালা লাগিয়ে সবাই বাড়িতে চলে গেছেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। কিন্তু সরকারি এ নিয়মের তোয়াক্কা করেন না নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খালিশা চাপানী  ইউনিয়নের ডালিয়া নীল সাগর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবাশ চন্দ্র রায় । স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিজের খেয়ালখুশিমতো বিদ্যালয় ছুটি দেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর ) ৩টা ২০মিনিটে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলে  তালা ঝুলছে। সব কক্ষ বন্ধ,শ্রেণি কক্ষের জানালা খোলা,মাঠে গরু বাধা।

বেলা ৩টা ৩০মিনিটের  দিকে ফোন করে কেমন আছেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সুবাশ রায় বলেন, ‘ভালো আছি। এই মাত্র  বাড়িতে আসলাম

নির্ধারিত সময়ের  আগেই বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩টা ২৫মিনিটে ছুটি দিয়ে চলে এসেছি। নিয়ম তো নাই, আজকে একটু হয়ে গেছে, আর এমন হবে  না, সরকারি নিয়ম কি সবাই মানে?

ডালিয়া নীল সাগর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নীল সাগর ক্যানেলের  পাশে অবস্থিত। ১৯৮৮সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে পাঁচজন শিক্ষক ও ৭৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের নিজের ইচ্ছেমতো বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। সরকারি নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করেন না। ইচ্ছেমতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। বিদ্যালয়ের অবস্থান নিভৃত পল্লীতে হওয়ায় কর্তৃপক্ষও তেমন নজরদারি করেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার এক যুবক বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক যেটা করে, স্কুলে সেটাই হয়। ১০থেকে ১১টা পযর্ন্ত  প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী শিক্ষক স্কুলে আসে।নিয়মিত পড়াশোনা হয় না,তাই দিনে দিনে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে।  স্কুলটার হিজিবিজি অবস্থা। এগুলো আমরা বললে ঝগড়া লাগে। একই এলাকার লোক, কিছু বলতে পারি না।’

বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী  বলেন, ‘কী কারণে সরকারি সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দিল, এটা খতিয়ে দেখা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে আর এমন ঘটনা না ঘটে। বিদ্যালয়টি নিয়মিত সময় অনুযায়ী চালু থাকলে শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না।’

ডিমলা  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ধীরেন্দ্র নাথ রায় প্রতিবেদককে  বলেন, ‘কোনোভাবেই ৪টার আগে স্কুল ছুটি দেওয়ার সুযোগ নেই। কেন তিনি সময়ের  আগেই বিদ্যালয় বন্ধ করলেন, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© নবদিগন্ত২৪ NoboDigonto 24 🖊️
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট